এক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের কারসাজিতেই দেশের ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (এনবিএফআই) এখনো ধুঁকছে। টানা ছয় বছর ধরে লোকসানের বোঝা টানছে পুরো খাত। গত বছর শেষে এই খাতের সামগ্রিক লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায়। ২০২৩ সালে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত লোকসানের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পুরো খাতের লোকসান বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের এই দুরবস্থার শুরু মূলত ২০১৪ সালে, পি কে হালদারের হাত ধরে। এক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে বসে তিনি অন্য চারটি প্রতিষ্ঠান নামে-বেনামে নিয়ন্ত্রণ করতেন। পরে একে একে এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নামে-বেনামে বিপুল ঋণ বের করে নেন ব্যাংক খাতের ঋণ অনিয়মের জন্য ব্যাপক সমালোচিত এস আলমের এই সহযোগী। পি কে হালদারের অনিয়মের কারণে সংকটে পড়া কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কারণে এখন পুরো খাত ধুঁকছে।
